ইতিহাস ও নামকরণ
১৯১৮ সালে তেরখাদা থানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় উন্নীত হয়। জনশ্রুতি অনুসারে, প্রাচীনকালে এই অঞ্চলে তেরোটি খাল বা "খাদা" (জলাধার) মিলিত হওয়ায় স্থানটির নাম "তেরখাদা" হয়েছে।
চিত্রা ও আঠারোবাকী নদীবেষ্টিত কৃষি, ভুতিয়ার বিল, মিঠাপানির মাছ ও শান্ত সবুজ গ্রামীণ পরিবেশের জন্য পরিচিত উপজেলা।
তেরখাদা উপজেলা তেরখাদা উপজেলা খুলনা জেলার উত্তর-পূর্ব প্রান্তে চিত্রা ও আঠারোবাকী নদীবেষ্টিত একটি শান্ত, সুজলা-সুফলা কৃষিপ্রধান জনপদ। ভুতিয়ার বিল ও বাসুখালী বিলের মিঠাপানির দেশীয় মাছ, আখের গুড়, ধান ও পাট উৎপাদন এবং শাপলা-পদ্ম শোভিত জলাভূমি তেরখাদাকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অনন্য লীলাভূমিতে পরিণত করেছে।
১৯১৮ সালে তেরখাদা থানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় উন্নীত হয়। জনশ্রুতি অনুসারে, প্রাচীনকালে এই অঞ্চলে তেরোটি খাল বা "খাদা" (জলাধার) মিলিত হওয়ায় স্থানটির নাম "তেরখাদা" হয়েছে।
তেরখাদা উপজেলার উত্তরে নড়াইলের কালিয়া উপজেলা, দক্ষিণে রূপসা উপজেলা, পূর্বে বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা এবং পশ্চিমে দিঘলিয়া উপজেলা অবস্থিত।
উপজেলার মোট আয়তন ১৮৯.৪৮ বর্গ কিলোমিটার এবং জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার। এতে ৬টি ইউনিয়ন ও ৯৬টি গ্রাম রয়েছে।
তেরখাদা ভুতিয়ার বিলের দেশীয় মাছ, চিত্রা নদীর সৌন্দর্য, সাচিয়াদহ ও ছাগলাদাহের শাপলা বিল এবং কৃষিপণ্যের জন্য বিখ্যাত।
চিত্রা ও আঠারোবাকী নদী এবং বিস্তীর্ণ ভুতিয়ার বিল ও কোলা বিল তেরখাদার প্রাকৃতিক পরিবেশকে সজীব রাখে।
তেরখাদার ৮০ শতাংশের বেশি মানুষ কৃষি ও মিঠাপানির মৎস্য চাষের সাথে যুক্ত। এখানে প্রচুর বোরো ও আমন ধান, পাট, সরিষা, পান এবং গলদা চিংড়ি উৎপাদিত হয়।
খুলনা শহর থেকে রূপসা হয়ে কিংবা জেলখানা ঘাট-দিঘলিয়া হয়ে সরাসরি পাকা সড়কে তেরখাদা সদর ও ছাগলাদাহ পর্যন্ত বাস ও মাহিন্দ্রা চলাচল করে।
চিত্রা নদীতে শরৎকালীন নৌকাবাইচ, অষ্টক গান, হালখাতা ও গ্রামীণ মেলা তেরখাদার ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তেরখাদা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (৫০ শয্যা), তেরখাদা থানা, উপজেলা ভূমি অফিস, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও ৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স।
প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের যাচাইকৃত তালিকা
📍 তেরখাদা সদর, খুলনা
📍 কাটেঙ্গা বাজার সংলগ্ন, তেরখাদা, খুলনা
📍 ছাগলাদাহ ইউনিয়ন, তেরখাদা, খুলনা
📍 তেরখাদা সদর, খুলনা
📍 তেরখাদা সদর, তেরখাদা, খুলনা
📍 তেরখাদা সদর, তেরখাদা, খুলনা
📍 তেরখাদা সদর, তেরখাদা, খুলনা
📍 ছাগলাদাহ, তেরখাদা, খুলনা
📍 বারাসাত, তেরখাদা, খুলনা
📍 সাচিয়াদাহ, তেরখাদা, খুলনা
📍 মধুপুর, তেরখাদা, খুলনা
📍 আজগড়া, তেরখাদা, খুলনা
📍 তেরখাদা সদর, খুলনা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (২৪/৭ জরুরি বিভাগ), ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ক্লিনিকসমূহ
📍 তেরখাদা সদর বাজার সংলগ্ন, তেরখাদা, খুলনা
🕒 জরুরি বিভাগ: ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক | বহির্বিভাগ: সকাল ৮:৩০ - দুপুর ২:৩০
📍 তেরখাদা সদর / কাটেঙ্গা, তেরখাদা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 ছাগলাদাহ বাজার, তেরখাদা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 বারাসাত বাজার, তেরখাদা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 সাচিয়াদাহ বাজার, তেরখাদা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 মধুপুর / কোলা বাজার, তেরখাদা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
তেরখাদা উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদনদী ও ভ্রমণকেন্দ্র
নদী ও প্রকৃতি
তেরখাদা সদরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া চিত্রা নদীর স্বচ্ছ জলধারা, কাটেঙ্গা সেতু ও দুই পাড়ের সবুজ প্রকৃতি।
প্রাকৃতিক বিল ও শাপলা
বর্ষা ও শরতে লাল ও সাদা শাপলায় ছেয়ে যাওয়া ভুতিয়ার বিল এবং সাচিয়াদাহের প্রাকৃতিক জলাভূমি।
নৌ-ভ্রমণ
আঁকাবাঁকা আঠারোবাকী নদীর গ্রামীণ পরিবেশ ও ছাগলাদাহ ঘাটের শান্ত প্রকৃতি।
তেরখাদা উপজেলার ইতিহাস, প্রাচীন স্থাপত্য ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি
১৯১৮ সালে তেরখাদা থানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় উন্নীত হয়। জনশ্রুতি অনুসারে, প্রাচীনকালে এই অঞ্চলে তেরোটি খাল বা "খাদা" (জলাধার) মিলিত হওয়ায় স্থানটির নাম "তেরখাদা" হয়েছে।
চিত্রা নদীতে শরৎকালীন নৌকাবাইচ, অষ্টক গান, হালখাতা ও গ্রামীণ মেলা তেরখাদার ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ঐতিহাসিক জনপদ
ব্রিটিশ আমলে গড়ে ওঠা ইখড়ি কাটেঙ্গা বাজার ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ।
প্রাচীন নিদর্শন
তেরখাদার বারাসাত ও জয়সেনা অঞ্চলে সংরক্ষিত প্রাচীন দিঘি ও ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় স্থাপনা।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তেরখাদা অঞ্চলের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ।
তেরখাদা উপজেলার সরকারি দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি সেবা নম্বর
📍 উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, তেরখাদা সদর, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৯:০০ – বিকাল ৫:০০
📍 তেরখাদা সদর, খুলনা
🕒 ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক খোলা
📍 তেরখাদা সদর, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৯:০০ – বিকাল ৫:০০
📍 তেরখাদা সদর, খুলনা
🕒 ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক খোলা
তেরখাদা উপজেলা খুলনা জেলার উত্তর-পূর্ব প্রান্তে চিত্রা ও আঠারোবাকী নদীবেষ্টিত একটি শান্ত, সুজলা-সুফলা কৃষিপ্রধান জনপদ। ভুতিয়ার বিল ও বাসুখালী বিলের মিঠাপানির দেশীয় মাছ, আখের গুড়, ধান ও পাট উৎপাদন এবং শাপলা-পদ্ম শোভিত জলাভূমি তেরখাদাকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অনন্য লীলাভূমিতে পরিণত করেছে।
১৯১৮ সালে তেরখাদা থানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় উন্নীত হয়। জনশ্রুতি অনুসারে, প্রাচীনকালে এই অঞ্চলে তেরোটি খাল বা "খাদা" (জলাধার) মিলিত হওয়ায় স্থানটির নাম "তেরখাদা" হয়েছে।
তেরখাদা উপজেলার উত্তরে নড়াইলের কালিয়া উপজেলা, দক্ষিণে রূপসা উপজেলা, পূর্বে বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা এবং পশ্চিমে দিঘলিয়া উপজেলা অবস্থিত।
উপজেলার মোট আয়তন ১৮৯.৪৮ বর্গ কিলোমিটার এবং জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার। এতে ৬টি ইউনিয়ন ও ৯৬টি গ্রাম রয়েছে।
তেরখাদা ভুতিয়ার বিলের দেশীয় মাছ, চিত্রা নদীর সৌন্দর্য, সাচিয়াদহ ও ছাগলাদাহের শাপলা বিল এবং কৃষিপণ্যের জন্য বিখ্যাত।
চিত্রা ও আঠারোবাকী নদী এবং বিস্তীর্ণ ভুতিয়ার বিল ও কোলা বিল তেরখাদার প্রাকৃতিক পরিবেশকে সজীব রাখে।
তেরখাদার ৮০ শতাংশের বেশি মানুষ কৃষি ও মিঠাপানির মৎস্য চাষের সাথে যুক্ত। এখানে প্রচুর বোরো ও আমন ধান, পাট, সরিষা, পান এবং গলদা চিংড়ি উৎপাদিত হয়।
খুলনা শহর থেকে রূপসা হয়ে কিংবা জেলখানা ঘাট-দিঘলিয়া হয়ে সরাসরি পাকা সড়কে তেরখাদা সদর ও ছাগলাদাহ পর্যন্ত বাস ও মাহিন্দ্রা চলাচল করে।
চিত্রা নদীতে শরৎকালীন নৌকাবাইচ, অষ্টক গান, হালখাতা ও গ্রামীণ মেলা তেরখাদার ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তেরখাদা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (৫০ শয্যা), তেরখাদা থানা, উপজেলা ভূমি অফিস, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও ৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স।