ইতিহাস ও নামকরণ
১৯৮৩ সালে রূপসা উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে লবণ ব্যবসায়ী রূপচাঁদ সাহা ভৈরব ও কাজীবাছা নদীর সংযোগ খাল খনন করলে তাঁর নামানুসারে নদীটির নাম হয় "রূপসা" এবং নদীর নামেই এই উপজেলার নামকরণ করা হয়।
খান জাহান আলী সেতু (রূপসা সেতু), বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধি, রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষের ভিটা পিঠাভোগ ও হিমায়িত মৎস্য শিল্পের কেন্দ্র।
রূপসা উপজেলা রূপসা উপজেলা খুলনা মহানগরীর ঠিক পূর্ব পাশে রূপসা, ভৈরব ও আঠারোবাকী নদীর তীরে অবস্থিত খুলনার অন্যতম প্রধান শিল্প, বাণিজ্য ও ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। এখানেই রয়েছে খুলনার আইকন "খান জাহান আলী সেতু (রূপসা সেতু)", মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিনের মাজার, এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদি নিবাস "পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালা"।
১৯৮৩ সালে রূপসা উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে লবণ ব্যবসায়ী রূপচাঁদ সাহা ভৈরব ও কাজীবাছা নদীর সংযোগ খাল খনন করলে তাঁর নামানুসারে নদীটির নাম হয় "রূপসা" এবং নদীর নামেই এই উপজেলার নামকরণ করা হয়।
রূপসা উপজেলার উত্তরে তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা, দক্ষিণে বাগেরহাটের ফকিরহাট ও বটিয়াঘাটা, পূর্বে ফকিরহাট ও মোল্লাহাট এবং পশ্চিমে রূপসা নদী ও খুলনা মহানগরী অবস্থিত।
উপজেলার মোট আয়তন ১২০.১৫ বর্গ কিলোমিটার এবং জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ। এতে ৫টি ইউনিয়ন ও ৭৮টি গ্রাম রয়েছে।
রূপসা সেতু, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধি (বাগমারা), পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালা, রূপসা পাইকারি মাছের আড়ত এবং চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার জন্য বিখ্যাত।
রূপসা, ভৈরব ও আঠারোবাকী নদী এই উপজেলার প্রধান নদী। রূপসা সেতুর নিচে নদীর দুই পাড় প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থীর মিলনমেলায় পরিণত হয়।
হিমায়িত চিংড়ি ও মৎস্য রপ্তানি কারখানা, লবণ পরিশোধন মিল, কাঠ ও স-মিল, কৃষি ও পান চাষ এবং পূর্ব রূপসা বাসস্ট্যান্ড-ঘাট কেন্দ্রিক ব্যবসা এখানকার অর্থনীতির প্রধান শক্তি।
খান জাহান আলী সেতু (রূপসা সেতু) এবং রূপসা রেলসেতুর মাধ্যমে রূপসা উপজেলা সরাসরি ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও মোংলা বন্দরের সাথে যুক্ত। এছাড়া পূর্ব ও পশ্চিম রূপসা ঘাটে সার্বক্ষণিক ট্রলার পারাপার রয়েছে।
পিঠাভোগে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন, ১০ ডিসেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের শাহাদাতবার্ষিকী এবং রূপসা নদীর ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা।
রূপসা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স (কাজীদিয়া), উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (৫০ শয্যা), রূপসা থানা, র্যাব-৬ সদর দপ্তর (লবণচরা-রূপসা সংযোগ), কোস্টগার্ড স্টেশন ও ৫টি ইউনিয়ন পরিষদ।
প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের যাচাইকৃত তালিকা
📍 রূপসা ও টুটপাড়া, খুলনা
📍 টিএসবি ইউনিয়ন, বেলফুলিয়া, রূপসা, খুলনা
📍 কাজদিয়া, রূপসা, খুলনা
📍 কাজদিয়া সদর, রূপসা, খুলনা
📍 নৈহাটী, পূর্ব রূপসা, খুলনা
📍 নৈহাটী (রূপসা সদর অঞ্চল), রূপসা, খুলনা
📍 নৈহাটী (রূপসা সদর অঞ্চল), রূপসা, খুলনা
📍 নৈহাটী (রূপসা সদর অঞ্চল), রূপসা, খুলনা
📍 নৈহাটী (রূপসা সদর অঞ্চল), রূপসা, খুলনা
📍 আইচগাতী, রূপসা, খুলনা
📍 টিএসবি (তিলক-স্বল্পবাহিরদিয়া-বাহিরদিয়া), রূপসা, খুলনা
📍 টিএসবি (তিলক-স্বল্পবাহিরদিয়া-বাহিরদিয়া), রূপসা, খুলনা
📍 ঘাটভোগ, রূপসা, খুলনা
📍 ঘাটভোগ, রূপসা, খুলনা
📍 ঘাটভোগ, রূপসা, খুলনা
📍 রূপসা সদর, খুলনা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (২৪/৭ জরুরি বিভাগ), ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ক্লিনিকসমূহ
📍 কাজদিয়া সদর, রূপসা, খুলনা
🕒 জরুরি বিভাগ: ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক | বহির্বিভাগ: সকাল ৮:৩০ - দুপুর ২:৩০
📍 বাগমারা / পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 আইচগাতী / সেনেরবাজার, রূপসা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 শ্রীফলতলা / পালেরহাট, রূপসা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 স্বল্পবাহিরদিয়া / তিলক, রূপসা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 ঘাটভোগ / আলাইপুর, রূপসা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
রূপসা উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদনদী ও ভ্রমণকেন্দ্র
প্রধান দর্শনীয় স্থান
রূপসা নদীর ওপর নির্মিত ১.৩৬ কিমি দীর্ঘ দৃষ্টিনন্দন খান জাহান আলী সেতু ও দুই পাড়ের বিনোদন স্পট খুলনার সবচেয়ে জনপ্রিয় ভ্রমণকেন্দ্র।
নদী ও রেলসেতু
খুলনা-মোংলা রেলপথের রূপসা রেলসেতু এবং রূপসা ও আঠারোবাকী নদীর মিলনস্থলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
নৌ-ঘাট ও বাণিজ্য
রূপসা নদীর তীরে কর্মমুখর পূর্ব রূপসা ফেরিঘাট, নৌকা পারাপার ও ঐতিহ্যবাহী মৎস্য আড়ত।
রূপসা উপজেলার ইতিহাস, প্রাচীন স্থাপত্য ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি
১৯৮৩ সালে রূপসা উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে লবণ ব্যবসায়ী রূপচাঁদ সাহা ভৈরব ও কাজীবাছা নদীর সংযোগ খাল খনন করলে তাঁর নামানুসারে নদীটির নাম হয় "রূপসা" এবং নদীর নামেই এই উপজেলার নামকরণ করা হয়।
পিঠাভোগে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন, ১০ ডিসেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের শাহাদাতবার্ষিকী এবং রূপসা নদীর ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা।
মুক্তিযুদ্ধের তীর্থস্থান
১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর পলাশী রণতরীতে শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন ও বীরবিক্রম মহিবুল্লাহর সমাধি কমপ্লেক্স।
রবীন্দ্র ঐতিহ্য ও প্রত্নতত্ত্ব
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষ কুশারী বংশের আদি নিবাস ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর পরিচালিত রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালা।
ঐতিহাসিক নিদর্শন
রূপসা নদীর নামকরণের ইতিহাসের সাথে জড়িত রূপচাঁদ সাহার খননকৃত নদীপথ ও আলাইপুরের প্রাচীন স্থাপত্য।
রূপসা উপজেলার সরকারি দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি সেবা নম্বর
📍 উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, কাজীদিয়া, রূপসা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৯:০০ – বিকাল ৫:০০
📍 কাজীদিয়া / নৈহাটী, রূপসা, খুলনা
🕒 ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক খোলা
📍 কাজীদিয়া, রূপসা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৯:০০ – বিকাল ৫:০০
📍 পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা
🕒 ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক খোলা
রূপসা উপজেলা খুলনা মহানগরীর ঠিক পূর্ব পাশে রূপসা, ভৈরব ও আঠারোবাকী নদীর তীরে অবস্থিত খুলনার অন্যতম প্রধান শিল্প, বাণিজ্য ও ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। এখানেই রয়েছে খুলনার আইকন "খান জাহান আলী সেতু (রূপসা সেতু)", মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিনের মাজার, এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদি নিবাস "পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালা"।
১৯৮৩ সালে রূপসা উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে লবণ ব্যবসায়ী রূপচাঁদ সাহা ভৈরব ও কাজীবাছা নদীর সংযোগ খাল খনন করলে তাঁর নামানুসারে নদীটির নাম হয় "রূপসা" এবং নদীর নামেই এই উপজেলার নামকরণ করা হয়।
রূপসা উপজেলার উত্তরে তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা, দক্ষিণে বাগেরহাটের ফকিরহাট ও বটিয়াঘাটা, পূর্বে ফকিরহাট ও মোল্লাহাট এবং পশ্চিমে রূপসা নদী ও খুলনা মহানগরী অবস্থিত।
উপজেলার মোট আয়তন ১২০.১৫ বর্গ কিলোমিটার এবং জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ। এতে ৫টি ইউনিয়ন ও ৭৮টি গ্রাম রয়েছে।
রূপসা সেতু, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধি (বাগমারা), পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালা, রূপসা পাইকারি মাছের আড়ত এবং চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার জন্য বিখ্যাত।
রূপসা, ভৈরব ও আঠারোবাকী নদী এই উপজেলার প্রধান নদী। রূপসা সেতুর নিচে নদীর দুই পাড় প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থীর মিলনমেলায় পরিণত হয়।
হিমায়িত চিংড়ি ও মৎস্য রপ্তানি কারখানা, লবণ পরিশোধন মিল, কাঠ ও স-মিল, কৃষি ও পান চাষ এবং পূর্ব রূপসা বাসস্ট্যান্ড-ঘাট কেন্দ্রিক ব্যবসা এখানকার অর্থনীতির প্রধান শক্তি।
খান জাহান আলী সেতু (রূপসা সেতু) এবং রূপসা রেলসেতুর মাধ্যমে রূপসা উপজেলা সরাসরি ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও মোংলা বন্দরের সাথে যুক্ত। এছাড়া পূর্ব ও পশ্চিম রূপসা ঘাটে সার্বক্ষণিক ট্রলার পারাপার রয়েছে।
পিঠাভোগে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন, ১০ ডিসেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের শাহাদাতবার্ষিকী এবং রূপসা নদীর ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা।
রূপসা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স (কাজীদিয়া), উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (৫০ শয্যা), রূপসা থানা, র্যাব-৬ সদর দপ্তর (লবণচরা-রূপসা সংযোগ), কোস্টগার্ড স্টেশন ও ৫টি ইউনিয়ন পরিষদ।