ইতিহাস ও নামকরণ
১৮৭২ সালে ব্রিটিশ আমলে পাইকগাছা থানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় উন্নীত হয়। ১৯৯৮ সালে পাইকগাছা পৌরসভা গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কপিলমুনি যুদ্ধের মাধ্যমে অঞ্চলটি হানাদারমুক্ত হয়।
বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় (পি.সি. রায়)-এর জন্মভূমি, কপোতাক্ষ নদ, কপিলমুনি বাণিজ্য কেন্দ্র ও চিংড়ি গবেষণার জন্য বিখ্যাত উপজেলা।
পাইকগাছা উপজেলা পাইকগাছা উপজেলা খুলনা জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কপোতাক্ষ ও শিবসা নদীবিধৌত একটি ঐতিহ্যবাহী ও সমৃদ্ধ জনপদ। বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় (পি.সি. রায়)-এর জন্মস্থান রাড়ুলী গ্রাম এবং দানবীর রায়সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক কপিলমুনি বাজার এই উপজেলাকে দেশব্যাপী পরিচিত করেছে। এখানে ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন ছাড়াও সরকারি লোনাপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত।
১৮৭২ সালে ব্রিটিশ আমলে পাইকগাছা থানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় উন্নীত হয়। ১৯৯৮ সালে পাইকগাছা পৌরসভা গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কপিলমুনি যুদ্ধের মাধ্যমে অঞ্চলটি হানাদারমুক্ত হয়।
পাইকগাছা উপজেলার উত্তরে ডুমুরিয়া ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলা, দক্ষিণে কয়রা উপজেলা, পূর্বে বটিয়াঘাটা ও দাকোপ এবং পশ্চিমে কপোতাক্ষ নদ ও আশাশুনি উপজেলা অবস্থিত।
উপজেলার মোট আয়তন ৪১১.১৯ বর্গ কিলোমিটার এবং জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ৬৬ হাজার। এখানে ১টি পৌরসভা, ১০টি ইউনিয়ন ও ২১২টি গ্রাম রয়েছে।
পাইকগাছা রাড়ুলীর স্যার পি.সি. রায়ের বসতভিটা, কপিলমুনির ঐতিহাসিক সহচরী বিদ্যাপীঠ ও বিনোদ ভবন, লোনাপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র এবং বাগদা চিংড়ির জন্য বিখ্যাত।
কপোতাক্ষ, শিবসা, ভদ্রা ও দেলুটি নদী এই উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। দেলুটি ও সোলাদানা ইউনিয়নে নদীর দ্বীপসদৃশ প্রাকৃতিক পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম।
বাগদা ও গলদা চিংড়ি চাষ, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, আমন ধান, সূর্যমুখী, তরমুজ এবং কপিলমুনি ও পাইকগাছা পৌর বাজারের পাইকারি ব্যবসা এখানকার অর্থনীতির প্রাণ।
খুলনা শহর থেকে ডুমুরিয়া-চুকনগর-আঠারোমাইল হয়ে সরাসরি পাকা মহাসড়কে পাইকগাছা সদর পর্যন্ত বাস চলাচল করে। শিবসা নদীর ওপর নির্মিত সেতু যোগাযোগকে আরও সহজ করেছে।
বিজ্ঞানী পি.সি. রায়ের জন্মবার্ষিকী উৎসব, কপিলমুনির বারুণী মেলা, কপোতাক্ষ তীরের সাহিত্য চর্চা এবং রাড়ুলীর প্রাচীন স্থাপত্য এখানকার গৌরব।
পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ, পাইকগাছা পৌরসভা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (৫০ শয্যা), কপিলমুনি ১০ শয্যা হাসপাতাল, পাইকগাছা থানা, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও লোনাপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র।
প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের যাচাইকৃত তালিকা
📍 পাইকগাছা সদর ও কপিলমুনি, খুলনা
📍 পাইকগাছা সদর, পাইকগাছা, খুলনা
📍 কপিলমুনি, পাইকগাছা, খুলনা
📍 পাইকগাছা সদর, খুলনা
📍 শিবসা নদীর তীরে, পাইকগাছা পৌরসভা, পাইকগাছা, খুলনা
📍 কপিলমুনি বাজার সংলগ্ন, পাইকগাছা, খুলনা
📍 পাইকগাছা সদর, খুলনা
📍 পাইকগাছা পৌরসভা ও সদর অঞ্চল, পাইকগাছা, খুলনা
📍 পাইকগাছা পৌরসভা ও সদর অঞ্চল, পাইকগাছা, খুলনা
📍 কপিলমুনি, পাইকগাছা, খুলনা
📍 কপিলমুনি, পাইকগাছা, খুলনা
📍 কপিলমুনি, পাইকগাছা, খুলনা
📍 রাড়ুলী, পাইকগাছা, খুলনা
📍 রাড়ুলী, পাইকগাছা, খুলনা
📍 হরিঢালী, পাইকগাছা, খুলনা
📍 গদাইপুর, পাইকগাছা, খুলনা
📍 চাঁদখালী, পাইকগাছা, খুলনা
📍 লস্কর, পাইকগাছা, খুলনা
📍 সোলাদানা, পাইকগাছা, খুলনা
📍 লতা, পাইকগাছা, খুলনা
📍 দেলুটি, পাইকগাছা, খুলনা
📍 গড়ইখালী, পাইকগাছা, খুলনা
📍 গড়ইখালী, পাইকগাছা, খুলনা
📍 পাইকগাছা সদর, খুলনা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (২৪/৭ জরুরি বিভাগ), ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ক্লিনিকসমূহ
📍 পাইকগাছা পৌরসভা সংলগ্ন, পাইকগাছা, খুলনা
🕒 জরুরি বিভাগ: ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক | বহির্বিভাগ: সকাল ৮:৩০ - দুপুর ২:৩০
📍 কপিলমুনি বাজার সংলগ্ন, পাইকগাছা, খুলনা
🕒 জরুরি ও ইনডোর: ২৪ ঘণ্টা | ওপিডি: সকাল ৮:৩০ - দুপুর ২:৩০
📍 পাইকগাছা পৌর সদর, পাইকগাছা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 কপিলমুনি বাজার, পাইকগাছা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 রাড়ুলী / বাঁকা বাজার, পাইকগাছা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 হরিঢালী বাজার, পাইকগাছা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
📍 গদাইপুর বাজার, পাইকগাছা, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৮:৩০ – দুপুর ২:৩০ (স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩)
পাইকগাছা উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদনদী ও ভ্রমণকেন্দ্র
নদী ও সেতু
পাইকগাছা সদরের শিবসা সেতু ও রাড়ুলী-কপিলমুনি সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী মনোরম দৃশ্য।
দ্বীপ প্রকৃতি
চারদিকে নদীঘেরা দেলুটি ইউনিয়নের সোনালী সূর্যমুখী ও সবুজ তরমুজ ক্ষেতের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
গবেষণা ও সবুজ ক্যাম্পাস
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের লোনাপানি কেন্দ্র ও বোয়ালিয়া সরকারি কৃষি খামারের সবুজ প্রাঙ্গণ।
পাইকগাছা উপজেলার ইতিহাস, প্রাচীন স্থাপত্য ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি
১৮৭২ সালে ব্রিটিশ আমলে পাইকগাছা থানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় উন্নীত হয়। ১৯৯৮ সালে পাইকগাছা পৌরসভা গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কপিলমুনি যুদ্ধের মাধ্যমে অঞ্চলটি হানাদারমুক্ত হয়।
বিজ্ঞানী পি.সি. রায়ের জন্মবার্ষিকী উৎসব, কপিলমুনির বারুণী মেলা, কপোতাক্ষ তীরের সাহিত্য চর্চা এবং রাড়ুলীর প্রাচীন স্থাপত্য এখানকার গৌরব।
প্রত্নতত্ত্ব ও ইতিহাস
রসায়নবিদ ও বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের রাড়ুলী গ্রামের পৈতৃক প্রাসাদোপম বসতভিটা (প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সংরক্ষিত)।
ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও মুক্তিযুদ্ধ
কপিলমুনিতে অবস্থিত বিনোদ বিহারী সাধুর ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বরের কপিলমুনি যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।
শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
স্যার পি.সি. রায় ও তাঁর পিতা হরিশচন্দ্র রায়ের স্মৃতিবিজড়িত শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
পাইকগাছা উপজেলার সরকারি দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি সেবা নম্বর
📍 উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, পাইকগাছা সদর, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৯:০০ – বিকাল ৫:০০
📍 পাইকগাছা পৌর সদর, খুলনা
🕒 ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক খোলা
📍 পাইকগাছা সদর, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৯:০০ – বিকাল ৫:০০
📍 পাইকগাছা সদর, খুলনা
🕒 রবি–বৃহস্পতি: সকাল ৯:০০ – বিকাল ৫:০০
📍 পাইকগাছা সদর, খুলনা
🕒 ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক খোলা
পাইকগাছা উপজেলা খুলনা জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কপোতাক্ষ ও শিবসা নদীবিধৌত একটি ঐতিহ্যবাহী ও সমৃদ্ধ জনপদ। বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় (পি.সি. রায়)-এর জন্মস্থান রাড়ুলী গ্রাম এবং দানবীর রায়সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক কপিলমুনি বাজার এই উপজেলাকে দেশব্যাপী পরিচিত করেছে। এখানে ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন ছাড়াও সরকারি লোনাপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত।
১৮৭২ সালে ব্রিটিশ আমলে পাইকগাছা থানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় উন্নীত হয়। ১৯৯৮ সালে পাইকগাছা পৌরসভা গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কপিলমুনি যুদ্ধের মাধ্যমে অঞ্চলটি হানাদারমুক্ত হয়।
পাইকগাছা উপজেলার উত্তরে ডুমুরিয়া ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলা, দক্ষিণে কয়রা উপজেলা, পূর্বে বটিয়াঘাটা ও দাকোপ এবং পশ্চিমে কপোতাক্ষ নদ ও আশাশুনি উপজেলা অবস্থিত।
উপজেলার মোট আয়তন ৪১১.১৯ বর্গ কিলোমিটার এবং জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ৬৬ হাজার। এখানে ১টি পৌরসভা, ১০টি ইউনিয়ন ও ২১২টি গ্রাম রয়েছে।
পাইকগাছা রাড়ুলীর স্যার পি.সি. রায়ের বসতভিটা, কপিলমুনির ঐতিহাসিক সহচরী বিদ্যাপীঠ ও বিনোদ ভবন, লোনাপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র এবং বাগদা চিংড়ির জন্য বিখ্যাত।
কপোতাক্ষ, শিবসা, ভদ্রা ও দেলুটি নদী এই উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। দেলুটি ও সোলাদানা ইউনিয়নে নদীর দ্বীপসদৃশ প্রাকৃতিক পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম।
বাগদা ও গলদা চিংড়ি চাষ, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, আমন ধান, সূর্যমুখী, তরমুজ এবং কপিলমুনি ও পাইকগাছা পৌর বাজারের পাইকারি ব্যবসা এখানকার অর্থনীতির প্রাণ।
খুলনা শহর থেকে ডুমুরিয়া-চুকনগর-আঠারোমাইল হয়ে সরাসরি পাকা মহাসড়কে পাইকগাছা সদর পর্যন্ত বাস চলাচল করে। শিবসা নদীর ওপর নির্মিত সেতু যোগাযোগকে আরও সহজ করেছে।
বিজ্ঞানী পি.সি. রায়ের জন্মবার্ষিকী উৎসব, কপিলমুনির বারুণী মেলা, কপোতাক্ষ তীরের সাহিত্য চর্চা এবং রাড়ুলীর প্রাচীন স্থাপত্য এখানকার গৌরব।
পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ, পাইকগাছা পৌরসভা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (৫০ শয্যা), কপিলমুনি ১০ শয্যা হাসপাতাল, পাইকগাছা থানা, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও লোনাপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র।